1. admin@jonotarkatha.com : admin :
  2. editor@jonotarkatha.com : editor :
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৪:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসারের বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম আর নেই  কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই কেন্দুয়ায় চাঞ্চল্যকর রহিমা হত্যা মামলার বাদী স্বামী ও ছেলে গ্রেফতার নেত্রকোনা ও পূর্বধলায় পৃথক হামলা সংঘর্ষে আহত ১৫, আটক ৩ বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবি: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২, পরিচয় মিলেছে ২৯ জনের পূর্বধলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলামের ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা রায়পুরায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ ৫ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত পূর্বধলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাজিবের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ত্রাণ বিতরণ নেত্রকোনার পূর্বধলায় লকডাউন চলছে

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৪:৩১ অপরাহ্ন
  • ২৬৫ বার পঠিত

ক‌্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ ১০ মাস ধরে লড়াই করে মারা গেলেন কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। তিনি আটবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন।

১৯৫৫ সালের ৪ নভেম্বর রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন সেই জন্মভূমির মাটিতেই। মৃত্যুর আগে তার অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহীর একটি ক্লিনিকে ভর্তি হন এ গায়ক। সেখানে সন্ধ্যা ৬টা৫৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

এর আগে শরীরে নানা ধরনের জটিলতা নিয়ে অসুস্থ অবস্থায় গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান এই সংগীতশিল্পী। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর তার শরীরে নন-হজকিন লিম্ফোমা নামক ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক লিম সুন থাইয়ের অধীনে তার চিকিৎসা শুরু হয়। সেখানে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসা শেষে গত ১১ জুন দেশে ফেরেন তিনি। এরপর রাজধানীর মিরপুরের বাসায় কয়েকদিন থাকার পর নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য গ্রামের বাড়ি রাজশাহীতে যান।

জন্মের পর রাজশাহীতেই কেটেছে এন্ড্রু কিশোরের শৈশব ও কৈশোর। এন্ড্রু কিশোর প্রাথমিকভাবে সংগীতের পাঠ শুরু করেন রাজশাহীর আবদুল আজিজ বাচ্চুর কাছে। একসময় গানের নেশায় রাজধানীতে ছুটে আসেন। মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, আধুনিক গান, লোকগান ও দেশাত্মবোধক গানে রেডিওর তালিকাভুক্ত শিল্পী হন।

এন্ড্রু কিশোরের চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৭ সালে আলম খান সুরারোপিত মেইল ট্রেন চলচ্চিত্রের ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ’ গানের মধ্য দিয়ে। তার রেকর্ডকৃত দ্বিতীয় গান বাদল রহমান পরিচালিত এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী চলচ্চিত্রের ‘ধুম ধাড়াক্কা’। তবে এ জে মিন্টু পরিচালিত ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রতীজ্ঞা চলচ্চিত্রের ‘এক চোর যায় চলে’ গানে প্রথম দর্শক তার গান শুনে এবং গানটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। এরপর আর চলচ্চিত্রের গানের জন্য পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেন বাংলা চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক সম্রাট।

এন্ড্রু কিশোরের খুব জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’, ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি’, ‘আমার বুকের মধ্যে খানে’, ‘আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান’, ‘ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা’, ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’, ‘পড়ে না চোখের পলক’, ‘পদ্মপাতার পানি’, ‘ওগো বিদেশিনী’, ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা’, ‘আমি চিরকাল প্রেমের কাঙাল’ প্রভৃতি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস আপডেট

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু

বিশ্বে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু